হতাশ, ব্যর্থতা, বিপদ, অশান্তি ইত্যাদি আমাদের জীবনের সাথে জরিত। কারো জীবনে বেশি আর কারো জীবনে কম। আবার কারো জীবনে নেয় বললেই চলে। কেন এই গুলো কারো জীবনে কম আবার কারো জীবনে বেশি হয় আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি??
না। আমরা কখনই ভেবে দেখিনি। আমরা সবাই সুখে থাকতে চায়। সেটা যে কোন মূল্যে। সেটা যদি হয় অন্যায় কাজের মাধ্যমে তাহলে আমরা সেই অন্যায় কাজ করতেও দ্বিধাবোধ করি না। আমরা আরাম আয়েশে থাকার জন্য পশু সুলভ আচরণ করতেও দ্বিধায় পড়ি না। আমরা ভুলে যায় যে, আমরা সৃষ্টির সেরা জীব, আশরাফুল মাখলুকাত। আমাদের আচরণ পশু সুলভ করা যায় না।
আসল কথা হলো আমরা সামান্য বিপদ এই হতাশ হয়ে যায়, অশান্তিতে ভুগি। আমরা কখনই এই বিপদ কাটানোর জন্য সঠিক পথ খুঁজি না। অন্যায় ভাবে বিপদ কাটানোর চেষ্টা করি যার ফলে বিপদ আরো বেশি গুনে বেড়ে যায়। তখন আমরা আমাদের শান্তির সহজ সরল জীবনটাকে কঠিন করে ফেলি।আর হতাশায় ভুগি। তখন আমরা জীবনে আর এগোতে চায় না।
আমরা খুব সহজেই আমাদের জীবন সুখের করে তুলতে পারি। প্রয়োজন শুধু একটু আল্লাহর ইবাদত। #আল্লাহর যিকরেই যে সব শান্তি নিহিত। সেটা আমরা ভুলে যায়। যার ফলে আমরা অন্যায় কাজে লিপ্ত হয়ে পরি আর সুখের থেকে দূরে সরে যায়।
আল্লাহ তায়ালা বলেন,
وَمَنْ أَعْرَضَ عَن ذِكْرِى فَإِنَّ لَهُۥ مَعِيشَةً ضَنكًا وَنَحْشُرُهُۥ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ أَعْمَىٰ
‘আর যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার জন্য হবে নিশ্চয় এক সংকুচিত জীবন এবং আমি তাকে কিয়ামত দিবসে উঠাবো অন্ধ অবস্থায়।
ত্বোয়াহ-124
আয়াত দ্বারা বোঝা যাচ্ছে। আল্লাহর ইবাদত থেকে দূরে সরে যাবার ফলেই আমরা জীবনের সুখ থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। হতাশ আমাদের কে গ্রাস করে ফেলে।
প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত আল্লাহর ইবাদতে মশগুল থাকা। জীবনের সুখ খুঁজতে গুনাহে লিপ্ত না হয়ে আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়া। আল্লাহ সবাইকে সহিহ বুঝ দান করুন।
||যিকির||

No comments:
Post a Comment